কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬ এ ১২:২৭ AM
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর) ২০২৫ (PPR
কন্টেন্ট: গল্প নয় সত্যি
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর) ২০২৫ (PPR 2025) বাংলাদেশে সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে আনা নতুন নিয়ম, যার মূল বিষয়গুলো হলো সব সরকারি কেনাকাটায় ই-জিপি বাধ্যতামূলককরণ, টেন্ডার মূল্যায়নে +/-১০% মূল্যসীমা (সিলিং) বাতিল, চুক্তি পুরস্কারের প্রকৃত সুবিধাভোগী মালিকের (UBO) তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক এবং টেকসই সরকারি ক্রয় (Sustainable Public Procurement - SPP) প্রবর্তন। নতুন বিধিতে অনেক বিধি ও তফসিল পরিবর্তন করা হয়েছে, যা আগের পিপিআর-২০০৮-কে সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপন করেছে।
পিপিআর ২০২৫-এর প্রধান নতুন দিকগুলো:
- ই-জিপি-এর ব্যাপক ব্যবহার: সকল ধরনের সরকারি কেনাকাটায় ই-জিপি (e-GP) ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও সহজ করবে।
- মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন: উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি (OTM)-এ টেন্ডার মূল্যায়নের +/-১০% মূল্যসীমা বাতিল করা হয়েছে, যা দরদাতাদের জন্য বড় পরিবর্তন।
- স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: চুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে প্রকৃত সুবিধাভোগী মালিক (Ultimate Beneficial Owner - UBO)-এর তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা স্বচ্ছতা বাড়াবে।
- টেকসই সরকারি ক্রয় (SPP): টেকসই পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (Sustainable Public Procurement - SPP) আনুষ্ঠানিক প্রবর্তন করা হয়েছে, যা পরিবেশগত ও সামাজিক দিক বিবেচনায় আনে।
- নতুন কৌশল: একটি সামগ্রিক ক্রয় কৌশলের (Procurement Strategy) প্রয়োজনীয়তা যুক্ত করা হয়েছে।
- আইন ও বিধির সমন্বয়: এটি নতুন পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০২৩ (PPA 2023)-এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়েছে এবং পুরনো নিয়মকে প্রতিস্থাপন করেছে।
- বড় পরিবর্তন: প্রায় ১৫৪টি বিধি এবং ২১টি তফসিলে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা আগের বিধিমালা থেকে উল্লেখযোগ্য।
এই পরিবর্তনগুলো সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক এবং উন্নত করার লক্ষ্যে আনা হয়েছে, যা বিশেষত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং স্টার্টআপগুলোকে উপকৃত করবে বলে আশা করা হচ্ছে